মুজিববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে হাবিপ্রবিতে কৃষক সেবা কেন্দ্রের যাত্রা শুরু

Blog Image

মুজিববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে বছরের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) উদ্বোধন করা হয়েছে কৃষক সেবা কেন্দ্রের। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও কৃষক সেবা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম কৃষক সেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক (বীর মুক্তিযোদ্ধা), ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন (ডি.এ.ই) এর দিনাজপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আব্দুল ওয়াজেদ, উপ-পরিচালক (হর্টিকালচার সেন্টার) প্রদীপ কুমার গুহ এবং উপ-পরিচালক মো. তৌহিদুল ইকবাল, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইন্সটিটিউটের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আবু জামান সরকার।

এ সময় ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন এর দিনাজপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আব্দুল ওয়াজেদ বলেন, এটি একটি মহতী ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। তিনি বলেন সম্মানিত ভিসি স্যার অত্যন্ত দক্ষ একজন মানুষ, তার হাত ধরে হাবিপ্রবি এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁর এ উদ্যোগের ফলে স্থানীয় কৃষকরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন। তিনি বলেন এর প্রচারের জন্য আমাদের সকলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করতে হবে, প্রয়োজনে আমরাও কৃষকদের অবহিত করবো। এক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা সব সময় অব্যাহত থাকবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, এটি আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল, অবশেষে মুজিববর্ষের প্রারম্ভে এসে তা পূর্ণতা পেল। তিনি বলেন জাতির জনক স্বপ্ন দেখতেন এদেশের কৃষকদের নিয়ে, মেহনতি মানুষদের নিয়ে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন এই কৃষক সেবা কেন্দ্র্র বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষকদের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে, দিনাজপুর অঞ্চলসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা এর দ্বারা উপকৃত হবেন। তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে এখানে আসবেন আমরা সে অনুযায়ি কাজ করবো, কৃষকদের সাথে তাদের মাঠে যাব। এ জন্য ইতোমধ্যে এখানে কয়েকজন কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এই কেন্দ্রের সাথে সরাসরি কাজ করবেন। কৃষকদের সাথে বন্ধুর মতো মিশে তাদের সাথে কাজ করা হবে। কৃষকদের মাঠে যৌথভাবে কৃষি গবেষণা কাজ পরিচালনা করা হবে, এর থেকে যা ফলন আসবে সেটা কৃষকরাই পাবেন। এছাড়াও বৃহত্তর দিনাজপুর অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সবজি উৎপাদনের প্রতিযোগিতামূলক প্রদর্শনী খামার স্থাপন করা হবে। এতে করে শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে সবজি চাষ করার সুযোগ পাবে তেমনি উৎপাদিত সবজি খেতে পারবে ও উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করে প্রতিষ্ঠানের তহবিল বৃদ্ধি করতে পারবে। তিনি বলেন স্থানীয় মানুষ ও কৃষকদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কিছু করার আছে। সে ভাবনা থেকেই এই উদ্যোগ নেয়া। তিনি বলেন আমি এখানে এসেছি কাজ করতেই, বাঁধা বিপত্তি যাই আসুক আমি হাবিপ্রবির জন্য শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে যাবো।